ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিরামপুরে সৌদির সাথে মিল রেখে ১৫টি গ্রামের পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন Logo শেরপুরে পবিত্র ঈদুল আযহার উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহায়তা দিলেন ছানুয়ার হোসেন ছানু এমপি Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক ও এশিয়ান টিভি ভালুকা প্রতিনিধি”মো:কামরুল ইসলাম “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “প্রেসক্লাব ভালুকা “সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম”পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের সহ সম্পাদক “সেরাজুর ইসলাম সিরাজ “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo দৈনিক বর্তমান সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক “সুমন মিয়া “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক”মামুন হাসান বিএ”পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo ঈদ আগাম বুকিং কম চায়ের রাজ্য শ্রীমঙ্গলে Logo বিরামপুরে সৌদির সাথে মিল রেখে ১৫টি গ্রামের পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন Logo শাহজাদপুর উপজেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদকের পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।

অধিকাংশ খাল যেন ময়লার ভাগাড়

মোঃ জাহিদুল ইসলাম শিহাব সন্দ্বীপ :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাহিদুল ইসলাম শিহাব সন্দ্বীপ :
সন্দ্বীপে অধিকাংশ খাল যেন ময়লার ভাগাড় সাগর থেকে প্রবেশ করা খালগুলোর বেশিরভাগই দখলে না হয় ভরাট হয়েছে প্রভাবশালীদের মধ্যে । ইতিমধ্যেই যে কয়টি এখনো টিকে আছে তারমধ্যে গুপ্তছড়া ঘাট থেকে পশ্চিম দিকের খালটি বেঁচে আছে।

যদিও একটু এগিয়ে এনাম নাহার মোড় থেকে উত্তরে ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে দুপাশে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় খাল নয়, এটি যেন ভাগাড় খানা। খালের দুপাশেই ময়লা আবর্জনা ও হাঁস মুরগীর নাড়িভূড়ি ফেলে রীতিমতো চর বানিয়ে দেয়া হয়েছে খালের মধ্যে।

অবশ্য এই অংশের খাল টো পুনরুদ্ধারে জেলা পরিষদের কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ কখনো চোখে পড়েনি বরং স্থানীয় প্রভাবশালীর চেষ্টায় বাধা দিয়েছে বলে জানালেন এলাকাবাসী। যেখানে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যার কারণে বিশাল আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে।
সরোজমিনে দেখা যায় তালতলী বাজারের উত্তরে যাওয়া বাজারের পাশে খালটি গত দুই বছর আগে প্রশাসন দোকান পাট উচ্ছেদ করলে বর্তমানে খালটিতে ময় আবর্জনা ফেলা ভরাট করা হচ্ছে। পানি প্রবাহ নেই বললে চলে, একই ভাবে সেনের হাটের উত্তর যাওয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসার সামনে খানটি ময়লা আবর্জনা ফেররে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পৌরসভা কতৃপক্ষের খাল সংস্কারের কোন উদ্যেগ চোখে পড়ে নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্ব সন্দ্বীপ হাই স্কুলের পূর্ব পশ্চিমে খাল ভরাট করে দোকান পাট বাসা বাড়ি অফিস নির্মান করা হয়েছে।
নব্বই দশকে হারামিয়া চৌমুহনী বাজারের পশ্চিমে সুইজগেইট থেকে মালের সার্বিস বোড এসে ভিড়তো, এখন বোট ভিড়া তো দুরের কথা বেউরা ও এসে দাড়াতে পারে না, চৌমুহনী বাজার সরকারি খালের কালবার্ডের উপরে নির্মান করা হয়েছে দোকান পাট।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় হারামিয়া মুছাপুর সীমান্তে হারামিয়া ৭ নং ওয়ার্ড ও মুছাপুর ৯ নং ওয়ার্ডের সীমান্ত বর্তী খাল দখল হয়েছে চর দখলের মতো, বেশ কিছু প্রবাবশালী এ দখলের সাথে জরিত বলে জানা গেছে।
মগধরা ইউনিয়ন শেখ ফরিদ নামে একজন অভিযোগ করে বলেন মগধরার আমতলী, নোয়াহাট, জনতা মার্কেট, ষোল শহর বাজারে প্রায় খাল দখল করে দোকান ও স্হাপনা নির্মাণ করছে, এরপর শিবের হাটের সহা গলি,উত্তর ও দক্ষিণ মাথায় ও খাল দখল করে দোকান ও স্হাপনা নির্মাণ করছে অনেক আগ থেকে, এবং সেটা দিন, দিন বেড়ে যাচ্ছে। মাইটভাংগা ইউনিয়নের রাসেল নামে একজন জানান
শিবের হাটের পশ্চিম গলি ও পুর্বের গলিতে অসংখ্য দোকান খাল ভরাট করে উঠেছে।
মগধরা ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নামে একজন জানান মগধরা
ইদ্রিস মুন্সীর বাজার গোলপাড়া সমাজ থেকে শুরু করে ইদ্রিস মুন্সীর বাজারের পশ্চিমে ওহাব মালাদারের বাড়ী পর্যন্ত সম্পূর্ণ খাল ভরাট করে ইদ্রিস মুন্সীর বাজারে দুইটা দোকান ঘর আর বাকি গুলো চাষাবাদের জমি, কিছু রাস্তার পাশে বাড়ী করে দখল করে নিয়েছে। বাজারের মধ্যেই আছে সরকারী ইউনিয়ন পরিষদের একটি পুরাতন বিল্ডিং যেখানে সরকারী অনেক কার্যক্রম চলত, একই বিল্ডিং গুপ্তছড়া বাজারের উত্তর দিকে পোস্ট অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এই জায়গাও দখল করে দোকান তুলে ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতেছে, খালের উপর বাড়ি আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর ধরে। হারামিয়া ইউনিয়ন জাহাঙ্গীর নামে একজন জানান
হারামিয়া ৬ নং ওয়ার্ড বক্তার হাটের পূর্ব পাশে সরকারি খাল দখল করে পানির রাস্তা বন্ধ করে মসজিদ, দোকান ঘর ও বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সন্দ্বীপ সহকারী কমিশনার ভূমি সৈয়দ মুরাদ হোসেন বলেন আমাদের পর্যপ্ত বরাদ্দ না থাকার কারণে মরা খাল গুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না। এ ব্যপারে উর্ধতন
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন খাল দখল বা ভরাটের বিষয়ে কেউ আমাদের লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব

ট্যাগস :
Translate »

অধিকাংশ খাল যেন ময়লার ভাগাড়

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

মোঃ জাহিদুল ইসলাম শিহাব সন্দ্বীপ :
সন্দ্বীপে অধিকাংশ খাল যেন ময়লার ভাগাড় সাগর থেকে প্রবেশ করা খালগুলোর বেশিরভাগই দখলে না হয় ভরাট হয়েছে প্রভাবশালীদের মধ্যে । ইতিমধ্যেই যে কয়টি এখনো টিকে আছে তারমধ্যে গুপ্তছড়া ঘাট থেকে পশ্চিম দিকের খালটি বেঁচে আছে।

যদিও একটু এগিয়ে এনাম নাহার মোড় থেকে উত্তরে ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে দুপাশে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় খাল নয়, এটি যেন ভাগাড় খানা। খালের দুপাশেই ময়লা আবর্জনা ও হাঁস মুরগীর নাড়িভূড়ি ফেলে রীতিমতো চর বানিয়ে দেয়া হয়েছে খালের মধ্যে।

অবশ্য এই অংশের খাল টো পুনরুদ্ধারে জেলা পরিষদের কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ কখনো চোখে পড়েনি বরং স্থানীয় প্রভাবশালীর চেষ্টায় বাধা দিয়েছে বলে জানালেন এলাকাবাসী। যেখানে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যার কারণে বিশাল আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে।
সরোজমিনে দেখা যায় তালতলী বাজারের উত্তরে যাওয়া বাজারের পাশে খালটি গত দুই বছর আগে প্রশাসন দোকান পাট উচ্ছেদ করলে বর্তমানে খালটিতে ময় আবর্জনা ফেলা ভরাট করা হচ্ছে। পানি প্রবাহ নেই বললে চলে, একই ভাবে সেনের হাটের উত্তর যাওয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসার সামনে খানটি ময়লা আবর্জনা ফেররে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পৌরসভা কতৃপক্ষের খাল সংস্কারের কোন উদ্যেগ চোখে পড়ে নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্ব সন্দ্বীপ হাই স্কুলের পূর্ব পশ্চিমে খাল ভরাট করে দোকান পাট বাসা বাড়ি অফিস নির্মান করা হয়েছে।
নব্বই দশকে হারামিয়া চৌমুহনী বাজারের পশ্চিমে সুইজগেইট থেকে মালের সার্বিস বোড এসে ভিড়তো, এখন বোট ভিড়া তো দুরের কথা বেউরা ও এসে দাড়াতে পারে না, চৌমুহনী বাজার সরকারি খালের কালবার্ডের উপরে নির্মান করা হয়েছে দোকান পাট।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় হারামিয়া মুছাপুর সীমান্তে হারামিয়া ৭ নং ওয়ার্ড ও মুছাপুর ৯ নং ওয়ার্ডের সীমান্ত বর্তী খাল দখল হয়েছে চর দখলের মতো, বেশ কিছু প্রবাবশালী এ দখলের সাথে জরিত বলে জানা গেছে।
মগধরা ইউনিয়ন শেখ ফরিদ নামে একজন অভিযোগ করে বলেন মগধরার আমতলী, নোয়াহাট, জনতা মার্কেট, ষোল শহর বাজারে প্রায় খাল দখল করে দোকান ও স্হাপনা নির্মাণ করছে, এরপর শিবের হাটের সহা গলি,উত্তর ও দক্ষিণ মাথায় ও খাল দখল করে দোকান ও স্হাপনা নির্মাণ করছে অনেক আগ থেকে, এবং সেটা দিন, দিন বেড়ে যাচ্ছে। মাইটভাংগা ইউনিয়নের রাসেল নামে একজন জানান
শিবের হাটের পশ্চিম গলি ও পুর্বের গলিতে অসংখ্য দোকান খাল ভরাট করে উঠেছে।
মগধরা ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নামে একজন জানান মগধরা
ইদ্রিস মুন্সীর বাজার গোলপাড়া সমাজ থেকে শুরু করে ইদ্রিস মুন্সীর বাজারের পশ্চিমে ওহাব মালাদারের বাড়ী পর্যন্ত সম্পূর্ণ খাল ভরাট করে ইদ্রিস মুন্সীর বাজারে দুইটা দোকান ঘর আর বাকি গুলো চাষাবাদের জমি, কিছু রাস্তার পাশে বাড়ী করে দখল করে নিয়েছে। বাজারের মধ্যেই আছে সরকারী ইউনিয়ন পরিষদের একটি পুরাতন বিল্ডিং যেখানে সরকারী অনেক কার্যক্রম চলত, একই বিল্ডিং গুপ্তছড়া বাজারের উত্তর দিকে পোস্ট অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এই জায়গাও দখল করে দোকান তুলে ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতেছে, খালের উপর বাড়ি আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর ধরে। হারামিয়া ইউনিয়ন জাহাঙ্গীর নামে একজন জানান
হারামিয়া ৬ নং ওয়ার্ড বক্তার হাটের পূর্ব পাশে সরকারি খাল দখল করে পানির রাস্তা বন্ধ করে মসজিদ, দোকান ঘর ও বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সন্দ্বীপ সহকারী কমিশনার ভূমি সৈয়দ মুরাদ হোসেন বলেন আমাদের পর্যপ্ত বরাদ্দ না থাকার কারণে মরা খাল গুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না। এ ব্যপারে উর্ধতন
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন খাল দখল বা ভরাটের বিষয়ে কেউ আমাদের লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব