ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুব মাতৃ সেবক সামাজিক সংগঠন শিবপুর বটতলী বাজার ফেনী Logo শ্রীমঙ্গলে গৃহপালিত কুকুরের সঙ্গে বুনো শুকরের বন্ধুত্ব Logo শাহজাদপুরে ৬ দিনব্যাপী কৃষি মেলার শুভ উদ্বোধন Logo বিরামপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন Logo বিরামপুরের সর্প দর্শন বিষয়ক সচেতনতা মূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo পলাশবাড়ীতে বিআরডিবি সুফলভুগি সদস্যদের তিন দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন Logo ধর্মপাশায় ভুয়া প্রকল্পের বরাদ্দ দেখিয়ে 10 টন চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ Logo কুড়িগ্রামের ভোগ ডাঙ্গায় ওষুধ বাকি না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে Logo বাংলাদেশের সকল অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরে এসেছে: এমপি আলহাজ্ব এস এম আল মামুন Logo শ্রীপুরে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় ‘আত্মহত্যা করলেন যুবক

তৃৃণমুল রাজনীতি থেকে উঠে আসা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস

: সোহরাওয়ার্দী হোসেন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

তৃৃণমুল রাজনীতি থেকে উঠে আসা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস

মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

৬৬ সিরাজগঞ্জ- ৫ আসনে স্বতন্ত্র থেকে ঈগল প্রতীক পেলেন আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। তিনি বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আলহাজ আব্দুল লতিফ বিশ্বাস স্থানীয় সরকারেও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন দুই বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পরে সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে একই আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর তিনি ২৪ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২১ নভেম্বর ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে রহস্যজনক কারণে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হন। দলীয় বা সরকারের কোন দায়িত্ব না থাকলেও তিনি সকল দলীয় কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করে সিরাজগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে দ্বিতীয় বারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদে নিয়োগ দেয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি গত ২৮ শে নভেম্বর ২০২৩ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের কাছে সাক্ষাৎকারের জন্য গেলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন।আমার সময় এলাকায় অনেক বড় বড় উন্নয়ন করা হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য উন্নয়নের মধ্যে জাতীয় প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে,মৎস্য ডিপ্লোমা,ভ্যাটেনারী কলেজ,
নারী শিক্ষা উন্নয়নের জন্যে বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রী কলেজ, রাস্তা ঘাট,শত শত মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদ গাহ মাঠ, বিদ্যুৎতের উন্নয়ন ইত্যাদি।
তিনি আরো বলেন, জনগণের উপরে আমার আস্থা আছে বলেই আমি নির্বাচনে এসেছি,
বেলকুচি চৌহালীর জনগণ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত আছে। আমি বিশ্বাস করি সুস্থ নির্বাচন হবে, কারণ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যাদের নৌকা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ত্যাগী নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আগামী ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনে বেলকুচি- চৌহালীর মানুষ, বিশেষ করে কৃৃষক, শ্রমিক, তাতী, ব্যবসায়ীরা আমাকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন : আপনারা জানেন যে বেলকুচি চৌহালী নদী ভাংগন এলাকার মানুষের ঘর বাড়ি রক্ষার্থে যে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার নিবো, এবং বেলকুচির তাতশিল্প আজ ধংসের পথে। পূর্ন উজ্জিবিত করা জন্যে যে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার ইনশাল্লাহ আমি স্বতন্ত্র থেকে এমপি হলে এগুলো সবই করব।
বিগত দশ বছরের রাস্তা ঘাটের যেগুলো উন্নয়ন হয় নাই, সেগুলো উন্নয়ন করবো।
অর্থাৎ আমি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছিলাম মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি সেই কাজ গুলো করবো। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে।

ট্যাগস :
Translate »

তৃৃণমুল রাজনীতি থেকে উঠে আসা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩

তৃৃণমুল রাজনীতি থেকে উঠে আসা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস

মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

৬৬ সিরাজগঞ্জ- ৫ আসনে স্বতন্ত্র থেকে ঈগল প্রতীক পেলেন আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। তিনি বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আলহাজ আব্দুল লতিফ বিশ্বাস স্থানীয় সরকারেও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন দুই বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পরে সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে একই আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর তিনি ২৪ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২১ নভেম্বর ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে রহস্যজনক কারণে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হন। দলীয় বা সরকারের কোন দায়িত্ব না থাকলেও তিনি সকল দলীয় কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করে সিরাজগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে দ্বিতীয় বারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদে নিয়োগ দেয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি গত ২৮ শে নভেম্বর ২০২৩ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের কাছে সাক্ষাৎকারের জন্য গেলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন।আমার সময় এলাকায় অনেক বড় বড় উন্নয়ন করা হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য উন্নয়নের মধ্যে জাতীয় প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে,মৎস্য ডিপ্লোমা,ভ্যাটেনারী কলেজ,
নারী শিক্ষা উন্নয়নের জন্যে বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রী কলেজ, রাস্তা ঘাট,শত শত মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদ গাহ মাঠ, বিদ্যুৎতের উন্নয়ন ইত্যাদি।
তিনি আরো বলেন, জনগণের উপরে আমার আস্থা আছে বলেই আমি নির্বাচনে এসেছি,
বেলকুচি চৌহালীর জনগণ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত আছে। আমি বিশ্বাস করি সুস্থ নির্বাচন হবে, কারণ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যাদের নৌকা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ত্যাগী নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আগামী ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনে বেলকুচি- চৌহালীর মানুষ, বিশেষ করে কৃৃষক, শ্রমিক, তাতী, ব্যবসায়ীরা আমাকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন : আপনারা জানেন যে বেলকুচি চৌহালী নদী ভাংগন এলাকার মানুষের ঘর বাড়ি রক্ষার্থে যে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার নিবো, এবং বেলকুচির তাতশিল্প আজ ধংসের পথে। পূর্ন উজ্জিবিত করা জন্যে যে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার ইনশাল্লাহ আমি স্বতন্ত্র থেকে এমপি হলে এগুলো সবই করব।
বিগত দশ বছরের রাস্তা ঘাটের যেগুলো উন্নয়ন হয় নাই, সেগুলো উন্নয়ন করবো।
অর্থাৎ আমি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছিলাম মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি সেই কাজ গুলো করবো। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে।