সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোটা আন্দোলন :বৃহস্পতিবার খুলনা কমপ্লিট ‘শাটডাউন ` Logo কোটা সংস্কার আন্দোলন কে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে গ্যারেজের নাইটগার্ডকে হত্যা করে ইজিবাইক লুটের চার দিনের মাথায় গ্রেপ্তার ৪, ইজিবাইক উদ্ধার ১ Logo শ্রীমঙ্গলে বায়তুন নূর জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন Logo কোটা আন্দোলন: অবরোধ,বিক্ষোভ,ও গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত খুলনায়। Logo কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিরামপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল  Logo বাগমারায় ক্রেতার হারিয়ে যাওয়ার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ফেরত দিলেন ব্যবসায়ী  Logo কালিয়াকৈরে ঘুরতে গিয়ে পানির স্রোতে নৌকা ডুবে মা-ছেলে নিহত। Logo বিরামপুরে বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে চলছে কোচিং  Logo ত্রিশালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

ধর্মপাশায় ভুয়া প্রকল্পের বরাদ্দ দেখিয়ে 10 টন চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ

সৈকত মিয়া
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ ২৫ বার পড়া হয়েছে

ধর্মপাশায় ভূয়া প্রকল্পের বরাদ্দ দেখিয়ে ১০ টন চাল আত্মসাৎতের অভিযোগ
সৈকত মিয়া
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে চকিয়াচাপুর গ্রামের রাস্তা সংস্কার নামে একটি ভূয়া প্রকল্পে দেখিয়ে ১০ মে:টন চাল বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রামবাসী।
অভিযোগে জানা যায়, ২০২৩-২৪ ইং অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দের ২য় পর্যায়ে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের চকিয়াচাপুর গ্রামের বাসিন্দা কায়সার কায়েস চৌধুরী পিন্টুকে প্রকল্পের সভাপতি  করে  “চকিয়াচাপুর মেইন রোড হতে পিন্টুর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার” প্রকল্পের নামে ১০ মে:টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পস্থানে না গিয়ে বরাদ্দের অর্ধেক ৫ মে:টন চাল অগ্রীম হিসেবে প্রকল্প কমিটির অনুকুলে  ছাড় দেয়া হয়। 
মূলত বরাদ্দ পাওয়ার আগে থেকেই  উক্ত প্রকল্পের রাস্তার সাকুল্য কাজ গ্রামবাসীদের তহবিলে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ লুটপাট করে আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে ভূয়া প্রকল্পের নামে প্রকল্প সভাপতি ও সদস্যসচিব সম্রাট খান এ বরাদ্দের সুপারিশ করেছেন। 
অভিযোগকারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও চকিয়াচাপুর গ্রামের বাসিন্দা  জাহেদ ইকবাল জিতু বলেন, চকিয়াচাপুর গ্রামের মেইনরোড হতে পিন্টুর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তার কাজ গ্রামবাসীদের তহবিল থেকে টাকা খরচ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। উক্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ১০ মে:টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে শুনে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। 
প্রকল্প সভাপতি কায়সার কায়েস চৌধুরী পিন্টু  বলেন, আমরা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সাহেবের সারাবছর মোটর সাইকেলের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করি, সেইজন্য আমাদেরকে বেতনের পরিবর্তে এই বরাদ্দ দিয়েছে। কাজ না করে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করে বিক্রি করে নিজেরা খরচ করার জন্য এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে গ্রামের এক শালিসে স্বীকার করেছেন।
এই বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, পৃথিবীর কোন ইতিহাসে আছে, সরকারি টাকা তাদেরকে খাওয়ার জন্য দিবো। এদের কথা মিথ্যা ও বানোয়াট।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেব সরকার বলেন, বরাদ্দের অর্ধেক ৫ মে.টন চাল অগ্রীম হিসেবে ছাড় দেয়া হয়েছে। কাজ দেখার জন্য সরেজমিনে গিয়ে জানতে পারি গ্রামবাসীর টাকায় রাস্তার কাজ হয়েছে। এ বিষয়ে  এ মধ্যে গ্রামবাসীরা একটি অভিযোগ  দায়ের হয়েছে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
## সৈকত মিয়া
মোবাইল – 01729151545

ট্যাগস :
Translate »

ধর্মপাশায় ভুয়া প্রকল্পের বরাদ্দ দেখিয়ে 10 টন চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:২৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ধর্মপাশায় ভূয়া প্রকল্পের বরাদ্দ দেখিয়ে ১০ টন চাল আত্মসাৎতের অভিযোগ
সৈকত মিয়া
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে চকিয়াচাপুর গ্রামের রাস্তা সংস্কার নামে একটি ভূয়া প্রকল্পে দেখিয়ে ১০ মে:টন চাল বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রামবাসী।
অভিযোগে জানা যায়, ২০২৩-২৪ ইং অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দের ২য় পর্যায়ে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের চকিয়াচাপুর গ্রামের বাসিন্দা কায়সার কায়েস চৌধুরী পিন্টুকে প্রকল্পের সভাপতি  করে  “চকিয়াচাপুর মেইন রোড হতে পিন্টুর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার” প্রকল্পের নামে ১০ মে:টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পস্থানে না গিয়ে বরাদ্দের অর্ধেক ৫ মে:টন চাল অগ্রীম হিসেবে প্রকল্প কমিটির অনুকুলে  ছাড় দেয়া হয়। 
মূলত বরাদ্দ পাওয়ার আগে থেকেই  উক্ত প্রকল্পের রাস্তার সাকুল্য কাজ গ্রামবাসীদের তহবিলে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ লুটপাট করে আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে ভূয়া প্রকল্পের নামে প্রকল্প সভাপতি ও সদস্যসচিব সম্রাট খান এ বরাদ্দের সুপারিশ করেছেন। 
অভিযোগকারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও চকিয়াচাপুর গ্রামের বাসিন্দা  জাহেদ ইকবাল জিতু বলেন, চকিয়াচাপুর গ্রামের মেইনরোড হতে পিন্টুর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তার কাজ গ্রামবাসীদের তহবিল থেকে টাকা খরচ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। উক্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ১০ মে:টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে শুনে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। 
প্রকল্প সভাপতি কায়সার কায়েস চৌধুরী পিন্টু  বলেন, আমরা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সাহেবের সারাবছর মোটর সাইকেলের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করি, সেইজন্য আমাদেরকে বেতনের পরিবর্তে এই বরাদ্দ দিয়েছে। কাজ না করে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করে বিক্রি করে নিজেরা খরচ করার জন্য এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে গ্রামের এক শালিসে স্বীকার করেছেন।
এই বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, পৃথিবীর কোন ইতিহাসে আছে, সরকারি টাকা তাদেরকে খাওয়ার জন্য দিবো। এদের কথা মিথ্যা ও বানোয়াট।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেব সরকার বলেন, বরাদ্দের অর্ধেক ৫ মে.টন চাল অগ্রীম হিসেবে ছাড় দেয়া হয়েছে। কাজ দেখার জন্য সরেজমিনে গিয়ে জানতে পারি গ্রামবাসীর টাকায় রাস্তার কাজ হয়েছে। এ বিষয়ে  এ মধ্যে গ্রামবাসীরা একটি অভিযোগ  দায়ের হয়েছে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
## সৈকত মিয়া
মোবাইল – 01729151545