ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঈদের আনন্দে প্রবাসীরা কতটুকু হাসি খুশি থাকে Logo ঈদুল আযাহার নামাজ আদায় চকশৈল্যা বাজার ঈদগাহ মাঠে। Logo বিরামপুরে সৌদির সাথে মিল রেখে ১৫টি গ্রামের পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন Logo শেরপুরে পবিত্র ঈদুল আযহার উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহায়তা দিলেন ছানুয়ার হোসেন ছানু এমপি Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক ও এশিয়ান টিভি ভালুকা প্রতিনিধি”মো:কামরুল ইসলাম “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “প্রেসক্লাব ভালুকা “সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম”পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের সহ সম্পাদক “সেরাজুর ইসলাম সিরাজ “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo দৈনিক বর্তমান সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক “সুমন মিয়া “পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo “দৈনিক বর্তমান সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক”মামুন হাসান বিএ”পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা Logo ঈদ আগাম বুকিং কম চায়ের রাজ্য শ্রীমঙ্গলে

ধর্মের প্রতি আস্থা বেড়েছে জাহ্নবী কাপুরের!

বর্তমান সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ১৯ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সংবাদ ডেস্ক:

প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী ও প্রযোজক-অভিনেতা বনি কাপুর দম্পতির বড় কন্যা অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। বলিউডে এরইমধ্যে ‘সংস্কারি’ মেয়ে হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

প্রভাবশালী পরিবারের কন্যা হয়েও সবার সঙ্গে সাধারণভাবে মেশেন তিনি। নিয়ম করে যান মন্দিরে। ধর্ম ও জাতিগত আচার পালনে বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী।

তবে এসব বিষয় তিনি পেয়েছেন মা শ্রীদেবীর কাছ থেকে। যদিও শ্রীদেবী বেঁচে থাকাকালীন ধর্মীয় আচারে খুব একটা বিশ্বাস ছিল না জাহ্নবীর। তবে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করছেন।

এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী বলেন, তিনি (শ্রীদেবী) কিছু বিষয় খুব মেনে চলতেন; কিছু কাজ নির্দিষ্ট দিনেই করা উচিত।

যেমন শুক্রবারে চুল কাটা ঠিক না, কাটলে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায় না। এ ছাড়া শুক্রবারে কালো পোশাক পরাও উচিত না।

আমি এসব কুসংস্কার বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু তার মৃত্যুর পর বিশ্বাস করা শুরু করেছি, বেশ ভালোভাবেই।

জাহ্নবী জানান, এখন ধর্মের প্রতি তার আস্থা অনেক বেড়ে গেছে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, মা বেঁচে থাকা অবস্থায় আমি এতটা ধার্মিক ছিলাম না।

আগে মা এসব আচার পালন করতেন বলে আমরাও কিছু কিছু করতাম। কিন্তু তার চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এসবে আমার আস্থা বেড়ে গেছে।

মা তার জন্মদিনে প্রতি বছর মন্দিরে যেতেন। তবে বিয়ের পর যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর আমিই তার জন্মদিনে মন্দিরে যাই।

প্রথমবার যখন গিয়েছিলাম, খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। সেই সঙ্গে মনে খুব প্রশান্তি পেয়েছিলাম।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে দুবাইয়ে এক হোটেলের বাথটাবে শ্রীদেবীর মরদেহ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, দুর্ঘটনাবশত তিনি সেখানে মারা গেছেন।

এর বছর খানেক পর জাহ্নবীর বলিউড অভিষেক হয়, ‘ধড়ক’ ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছেন এই অভিনেত্রী।

বর্তমানে জাহ্নবী ব্যস্ত তার নতুন ছবি ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’র প্রচারণায়। শরণ শর্মা পরিচালিত এই ছবিতে তার সঙ্গে আছেন রাজকুমার রাও। ছবিতে একজন ক্রিকেটারের ভূমিকায় আছেন জাহ্নবী।

Translate »

ধর্মের প্রতি আস্থা বেড়েছে জাহ্নবী কাপুরের!

আপডেট সময় : ১২:৫২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

বর্তমান সংবাদ ডেস্ক:

প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী ও প্রযোজক-অভিনেতা বনি কাপুর দম্পতির বড় কন্যা অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। বলিউডে এরইমধ্যে ‘সংস্কারি’ মেয়ে হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

প্রভাবশালী পরিবারের কন্যা হয়েও সবার সঙ্গে সাধারণভাবে মেশেন তিনি। নিয়ম করে যান মন্দিরে। ধর্ম ও জাতিগত আচার পালনে বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী।

তবে এসব বিষয় তিনি পেয়েছেন মা শ্রীদেবীর কাছ থেকে। যদিও শ্রীদেবী বেঁচে থাকাকালীন ধর্মীয় আচারে খুব একটা বিশ্বাস ছিল না জাহ্নবীর। তবে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করছেন।

এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী বলেন, তিনি (শ্রীদেবী) কিছু বিষয় খুব মেনে চলতেন; কিছু কাজ নির্দিষ্ট দিনেই করা উচিত।

যেমন শুক্রবারে চুল কাটা ঠিক না, কাটলে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায় না। এ ছাড়া শুক্রবারে কালো পোশাক পরাও উচিত না।

আমি এসব কুসংস্কার বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু তার মৃত্যুর পর বিশ্বাস করা শুরু করেছি, বেশ ভালোভাবেই।

জাহ্নবী জানান, এখন ধর্মের প্রতি তার আস্থা অনেক বেড়ে গেছে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, মা বেঁচে থাকা অবস্থায় আমি এতটা ধার্মিক ছিলাম না।

আগে মা এসব আচার পালন করতেন বলে আমরাও কিছু কিছু করতাম। কিন্তু তার চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এসবে আমার আস্থা বেড়ে গেছে।

মা তার জন্মদিনে প্রতি বছর মন্দিরে যেতেন। তবে বিয়ের পর যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর আমিই তার জন্মদিনে মন্দিরে যাই।

প্রথমবার যখন গিয়েছিলাম, খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। সেই সঙ্গে মনে খুব প্রশান্তি পেয়েছিলাম।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে দুবাইয়ে এক হোটেলের বাথটাবে শ্রীদেবীর মরদেহ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, দুর্ঘটনাবশত তিনি সেখানে মারা গেছেন।

এর বছর খানেক পর জাহ্নবীর বলিউড অভিষেক হয়, ‘ধড়ক’ ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছেন এই অভিনেত্রী।

বর্তমানে জাহ্নবী ব্যস্ত তার নতুন ছবি ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’র প্রচারণায়। শরণ শর্মা পরিচালিত এই ছবিতে তার সঙ্গে আছেন রাজকুমার রাও। ছবিতে একজন ক্রিকেটারের ভূমিকায় আছেন জাহ্নবী।