ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ময়মনসিংহে মানসিক রোগী রাজিয়া খাতুুন হত্যার রহস্য উদঘাটন ০৩ জন গ্রেফতার Logo শ্রীমঙ্গলে অর্ধশতাধিক ছিন্নমূলে ঈদ উপহার দিলো ওয়ার্ক ফর হিউম্যানিটি Logo ফাজিলপুরে হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য মুসলিম এইড বাংলাদেশ (MAB) এর কুরবানি কর্মসূচী-২০২৪ Logo শুকনো জায়গার অভাবে, সিলেটে অনেকেই কোরবানী দিতে পারছেন না Logo পুলিশ পরিচয়ে ছিনতায়ের অভিযোগে সাবেক সেনা সদস্য গ্রেফতার Logo কালিয়াকৈরে ডাঃ ডালেম চন্দ্র বর্মনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত Logo ঈদের আনন্দে প্রবাসীরা কতটুকু হাসি খুশি থাকে Logo ঈদুল আযাহার নামাজ আদায় চকশৈল্যা বাজার ঈদগাহ মাঠে। Logo বিরামপুরে সৌদির সাথে মিল রেখে ১৫টি গ্রামের পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন Logo শেরপুরে পবিত্র ঈদুল আযহার উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহায়তা দিলেন ছানুয়ার হোসেন ছানু এমপি

ভোলায় শেষ দিকে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

নুরুল আমিন, ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

ভোলা জেলায় শেষ দিকে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। হাটে ব্যাপক লোক সমাগম ও পশু দেখা গেলেও বেচাকেনা তুলনামূলক হারে কম। ক্রেতারা বলছেন, দাম বেশি তাই কিনতে হিমশিম খাচ্ছি। কোরবান দেখেই পশুর মালিকরা দাম বাড়িয়ে দিছে। দাম কিছুটা কমবে আশা করি। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, জিনিসপত্র ও খাদ্য দ্রব্যের দাম বেশি। পশু পালনে খরচ বেশি। তাই বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ভোলা জেলার ৭ উপজেলাতে ৯৪টি কোরবানি পশুর হাট বসেছে। এরমধ্যে ৭৩টি স্থায়ী এবং ২১টি অস্থায়ী হাট। ২১টি ভেটেনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। কোরবানির পশুর হাটে টিমগুলো কাজ করছে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল বর্তমান সংবাদকে জানান, ভোলা জেলাতে ৮৪ হাজার ৪ শত পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তুত রয়েছে ৯০ হাজার ১ শত। তিনি আরো জানান, জেলার ২ হাজার ৮৭৩টি খামারে ৩৭ হাজার পশু প্রস্তুত করা রয়েছে। বাকিগুলো পারিবারিকভাবে পালন করা হয়েছে। কোরবানির এসব পশুর মধ্যে গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া রয়েছে।

বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয়দের পালিত পশুতে ভোলার হাটগুলো সয়লাব। বিক্রেতা হাঁকিয়ে দাম চাইলেও দর কষাকষি করে ক্রেতা। এতে বিক্রিমূল্য কমে আসে। সোমবার লালমোহন পশুর হাটে লেজ ছকিনা গ্রামের গরু বিক্রেতা নসু বলেন, আমার গরুটি রবিবার জনতার হাটে ৭৭ হাজার টাকা মুলাইছে, কিন্তু এই হাটে ৭৫ হাজার টাকা মুলায়। সিদ্দিক বিশ্বাস নামে একজন বলেন, বৃহস্পতিবার এই হাটে আমার গরুটি ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা মুলাইছে, কিন্তু এই হাটে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাম কয়। কোরবানির দিন যত ঘনিয়ে আসছে পশুর দাম কমে যাচ্ছে।

ভোলার পশুর হাটগলুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জাল টাকা ধরার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
Translate »

ভোলায় শেষ দিকে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

আপডেট সময় : ০১:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩

ভোলা জেলায় শেষ দিকে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। হাটে ব্যাপক লোক সমাগম ও পশু দেখা গেলেও বেচাকেনা তুলনামূলক হারে কম। ক্রেতারা বলছেন, দাম বেশি তাই কিনতে হিমশিম খাচ্ছি। কোরবান দেখেই পশুর মালিকরা দাম বাড়িয়ে দিছে। দাম কিছুটা কমবে আশা করি। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, জিনিসপত্র ও খাদ্য দ্রব্যের দাম বেশি। পশু পালনে খরচ বেশি। তাই বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ভোলা জেলার ৭ উপজেলাতে ৯৪টি কোরবানি পশুর হাট বসেছে। এরমধ্যে ৭৩টি স্থায়ী এবং ২১টি অস্থায়ী হাট। ২১টি ভেটেনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। কোরবানির পশুর হাটে টিমগুলো কাজ করছে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল বর্তমান সংবাদকে জানান, ভোলা জেলাতে ৮৪ হাজার ৪ শত পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তুত রয়েছে ৯০ হাজার ১ শত। তিনি আরো জানান, জেলার ২ হাজার ৮৭৩টি খামারে ৩৭ হাজার পশু প্রস্তুত করা রয়েছে। বাকিগুলো পারিবারিকভাবে পালন করা হয়েছে। কোরবানির এসব পশুর মধ্যে গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া রয়েছে।

বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয়দের পালিত পশুতে ভোলার হাটগুলো সয়লাব। বিক্রেতা হাঁকিয়ে দাম চাইলেও দর কষাকষি করে ক্রেতা। এতে বিক্রিমূল্য কমে আসে। সোমবার লালমোহন পশুর হাটে লেজ ছকিনা গ্রামের গরু বিক্রেতা নসু বলেন, আমার গরুটি রবিবার জনতার হাটে ৭৭ হাজার টাকা মুলাইছে, কিন্তু এই হাটে ৭৫ হাজার টাকা মুলায়। সিদ্দিক বিশ্বাস নামে একজন বলেন, বৃহস্পতিবার এই হাটে আমার গরুটি ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা মুলাইছে, কিন্তু এই হাটে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাম কয়। কোরবানির দিন যত ঘনিয়ে আসছে পশুর দাম কমে যাচ্ছে।

ভোলার পশুর হাটগলুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জাল টাকা ধরার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।